ঢাকাশুক্রবার , ২৬ নভেম্বর ২০২১
  1. গল্প
  2. চারপাঁশে
  3. ভালবাসার খুনসুটি
  4. ভালবাসার গল্প
  5. রাজ রানী

ভালবাসার তাজমহল পর্ব-৪

গল্পিবাজ ডেস্ক
নভেম্বর ২৬, ২০২১ ৮:৩৯ অপরাহ্ণ
Link Copied!

ভালবাসার তাজমহল গল্পের পূর্ববর্তী পর্ব গুলো পড়তে এখানে ক্লিক করুন।

আমার খেয়াল ছিলনা আমি আম্মুর ফোন থেকে কথা বলতেছি অর্থাৎ আমার কোন হুশ নেই একটু বলতে গেলে আমি ওকে বকা দিতে গিয়েও আবার বকা দিলাম না কেন না এমনিতে আমার উপর রেগে আছে এরপর বকা দিলে হয়তো খারাপ কিছু করে ফেলবে প্রচন্ড ভালোবাসার কারনে আবেগ থেকে মানুষ খারাপ কিছু করতে দ্বিধাবোধ করেনা তাই আমি বিষয়টি ভেবে কিছু বললাম না আমি শুধু বললাম তুমি আমাকে আসলে দুই বছরের চিনতে পারোনি আমি তোমার যোগ্য হয় তোমরা। ভালবাসার

মুনিয়া আমাকে বলল দেখো তুমি আমাকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করছ আমি বললাম এটা কোন ধরনের ব্ল্যাকমেল না তুমি আমাকে দুই বছরের চিনোনি আর আমি তোমাকে কিভাবে আপনাকে চিনলাম আমি বুঝতে পারছি না আসলে আমি মনে হয় তোমার যোগ্য না। মুনিয়া আমাকে বলল দেখেন বেশি বেশি হয়ে যাচ্ছে কিন্তু।

মুনিয়া কে বললাম মানুষকে কষ্ট দিতে অনেক ভালো লাগে আপনার তাই না ঠিক আছে আমি আপনার কষ্ট মেনে নিলাম আপনি আমাকে কষ্ট দেন এবং সেগুলো আমি মেনে নিয়ে কিছু করার নেই কারণ আপনি তো মানুষকে কষ্ট দিতে ভাল বাসেন। উনি আমাকে বলল আপনি কষ্ট পাবেন কেন আপনার তো ভালোবাসার প্রচুর মানুষ আছে মানুষের বন্ধু আছে বান্ধবী আছে আপনি তো তাদের সাথে টাইম স্পেন্ড টাইম পাস করতে পারেন কিন্তু আমার তো আপনি ছাড়া আর কেউ ছিল না তাদের সাথে আমি টাইম পাস করবো তাদের সাথে আমি সময় কাটাবো। ভালবাসার তাজমহল

আরো পড়ুনঃ  ভালবাসার তাজমহল পর্ব-১

আমি বললাম ছিলন মানে কি? মরিয়া বলল আমার এখন কেউ নেই আগে আপনি ছিলেন এখন আমি একা মুনিয়া বলল আমি মরে যাব আমি বললাম ঠিক আছে আপনি মরেন তার পর পড়ে দেখবেন আমি আপনার সাথে চলে এসেছি উনি বলল আপনার মতো হবে না আপনি আপনার বন্ধুদের নিয়ে থাকেন আমি বললাম তুমি সামান্য এই বিষয়টাকে নিয়ে এতদূর কেন ঘোরাচ্ছ তুমি কি বুঝতে পারছ তুমি কি করতে চাচ্ছ? ভালবাসার তাজমহল

ভালবাসার তাজমহল পর্ব-৩

মুনিয়া আমাকে বলল আপনি আমাকে ফোন কেন করতেছেন আমিত দেখাচ্ছেন আপনাকে কোন ফোন করি না। আমি বললাম তাহলে তুমি কি আমার ফোন কল পেয়ে বিরক্ত বোধ করছ মনি ও বলল না আমি বিরক্ত বোধ করছি না বরং আপনি আমার ফোনে বারবার ফোন দিয়ে নিজেই কষ্ট হচ্ছে নিজেই বিরক্ত হচ্ছে তাই আমি আপনাকে বারণ করতেছি। আমি বললাম আপনি এই একদিন অনেক বেশি শিখেছেন আসলে এত শেখা আপনার জন্য উত্তম নয় আপনি কি আপনার ফোন খুলবেন না কি আমি আমার ফোন আছাড় দিয়ে ভেঙ্গে ফেলব মুনিয়া বলল ভেঙে গেল ফেলবেন আপনার কথা বলার জন্য অনেক বন্ধু রয়েছে তাদের সাথে কথা বলুন। ভালবাসার তাজমহল

আরো পড়ুনঃ  ভালবাসার তাজমহল পর্ব-৮

এগুলো বলে মুনিয়া ফোন কেটে দিলে ওপাশ থেকে আমার মাথায় এবং শরীরে প্রচুর রাগ জন্ম নিলে কি করব বুঝতে পারছি না ফোন আসার দিতে গিয়ে দেখি আম্মুর ফোন আমার হাতে আর আসার দিলাম না আম্মুকে ফোনটা দিয়ে আমি বাইরে বেরিয়ে গেলাম এবং সাইমের বাসায় চলে গেলাম সাইম আমার ছোটবেলার বন্ধু এক কথায় লেংটা বেলার বন্ধু। সাইন কে সম্পূর্ণ বিষয়টা বুঝিয়ে বলার পরে ও বলল ও আচ্ছা তাহলে তোমাদের মধ্যে এই গুলো চলছে আমি বললাম চলছে না চলতেছে এখন কি করব বল। ভালবাসার তাজমহল

সাইম বলল চিন্তা করিসনা অবশ্যই সলিউশন আছে এবং এর সলিউশন খুব ভালো হবে একটু অপেক্ষা কর আমি একটু নাস্তা করে নেয়। আমি বললাম ঠিক আছে তুই নাস্তা কর আমি এখানে বসে এরপর শামীম বলল আচ্ছা তুই খেয়েছিস তো নাকি গার্লফ্রেন্ডের টেনশনে খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে দিয়েছিস আমি বললাম না তুই খেয়ে নে আমার খাওয়ার ইচ্ছে নেই সাইন আমাকে জোর করে ওর সাথে নাস্তা করিয়ে দিল এরপর এবং আমি দুজনে বাইক নিয়ে বের হলাম সাইন বাইক চালাচ্ছে আমি পিছনে বসে আছি এবং কোন কথা বলছে না আমিও কথা বলছি না।

আরো পড়ুনঃ  ভালবাসার তাজমহল পর্ব-৭

সায়েমকে বললাম আছো আমরা কোথায় যাচ্ছি সেটা তো বলবি শামীম বলল পিছনে বসে আশিশ বসে থাক দেখ আমরা কোথায় যাই আমি বুঝতে পারলাম অনেক দূর যাওয়ার পর কিছুক্ষণ পর ওদের বাসা আমি বললাম কিরে ওদের বাসায় জাবি নাকি এটা আবার করিস না শামীম বলল কেন এত সমস্যা নেই ওদের বাসায় গিয়ে কথা বোলবো তুই চুপ করে বসে থাক দেখ আমি কি করি এবার আমার মনের মধ্যে অন্যরকম অনুভুতি হল ওর আব্বু বাসায় যদি সে জেনে ফেলে আমি ওদের বাসায় দেখা করতে এসেছি তখন হয়তো খারাপ কিছু ভাববে আমি বললাম দেখ দোস্ত তোর আম্মু জানে আমাদের রিলেশনের কথা কিন্তু ওর আব্বু জানে কিনা এ বিষয়ে আমি অবগত না ওদের বাসায় না যাওয়াই ভালো হবে বরং তুই গিয়ে ওকে ফোন খোলার জন্য বলে আমি নিচে দাঁড়িয়ে থাকি না তুই আমার সাথে যাবি চল।

এই গল্পের পরবর্তী পর্ব পড়তে এখানে ক্লিক করুন।